রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতার সমীকরণ নয়; রাজনীতি হলো মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম, রাজপথে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর নাম। প্রতিকূল স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে যারা নেতৃত্বকে সামনে থেকে পরিচালনা করেন, তাদের গল্পগুলোই ইতিহাসের একেকটি জীবন্ত অধ্যায়। মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের রাজনীতিতে তেমনি এক পরিচিত ও সংগ্রামী একনেতা মাসুদ রানা
পদ্মা মেঘনা-ধলেশ্বরী নদীবেষ্টিত মুন্সিগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন বরাবরই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এই জনপদে ছাত্ররাজনীতি ও যুবরাজনীতির কঠিন পথ বেয়ে নিজ যোগ্যতায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন মাসুদ রানা। তৃণমূল থেকে শুরু করে রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তার সরব উপস্থিতি তাকে পরিচিত করেছে একজন পরীক্ষিত কর্মী ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে।
বিএনপির রাজনীতির সবচেয়ে কঠিনতম দুঃসময়ে জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসেন মাসুদ রানা।১/১১এর ঝড়ে বিধ্বস্ত বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনকে পুনর্গঠন করে সুংগঠিত ছাত্রদল গড়ায় তার ভূমিকা ছিলো অনন্য ও প্রশংসনীয়।সে সময়গুলোতে মুন্সিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলই সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল মাসুদ রানার নেতৃত্বে।জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে যখন আপন কর্মগুনে দক্ষতায়, যোগ্যতায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী ঠিক তখন ছাত্রদলকে নিয়ে বিএনপির নেয়া একটি সিদ্ধান্ত
সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখে পেছনের সারিতে নয়, বরং সবসময় সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া—এটাই ছিল তার রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য। হামলা, মামলা কিংবা প্রশাসনিক নানা জটিলতা—কোনো কিছুই তাকে রাজপথ থেকে সরাতে পারেনি। নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে রেখেছেন জোরালো ভূমিকা।”
একজন ভালো নেতার পরিচয় কেবল বড় পদে থাকা নয়, বরং কর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো। স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীদের কাছে মাসুদ রানা এক আস্থার নাম। দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, তাদের আইনি বা সাংগঠনিক সহায়তা দেওয়া এবং দলকে সুসংগঠিত রাখতে তার নিরলস প্রচেষ্টা জেলা রাজনীতিতে প্রশংসিত হয়েছে।”
