নক্ষত্র কখনো নিভানো যায়না।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভূ-প্রকৃতিতে মুন্সিগঞ্জ জেলা সর্বদা একটি কৌশলগত এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রসারে এই জেলার ভূমিকা ঐতিহাসিক। মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মুহাম্মদ মাসুদ রানার রাজনৈতিক জীবন, কর্মকাণ্ড এবং জনমনে তার প্রভাব বিশ্লেষণ করলে একটি তৃণমূল থেকে উঠে আসা বলিষ্ঠ নেতৃত্বের চিত্র পরিলক্ষিত হয়। তার রাজনৈতিক উত্থান কেবল আকস্মিক কোনো ঘটনা নয়, বরং তা ছিল দীর্ঘদিনের রাজপথের সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীদের সাথে গভীর সংযোগের ফসল মুহাম্মদ মাসুদ রানার সার্বিক রাজনৈতিক কার্যক্রম, তার জনপ্রিয়তার ভিত্তি, দলে অবদান এবং আগামী দিনের রাজনীতিতে তার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি গভীর ও নিবিড় বিশ্লেষণ উপস্থাপন করার প্রচেষ্টা।
মুহাম্মদ মাসুদ রানার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হাত ধরে।১৯৯৮ সালে ২নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালিন সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পান।সেই সময় থেকে ছাত্ররাজনীতিতে তার সক্রিয়তা তাকে তৃণমূলের স্পন্দন বোঝার সুযোগ করে দেয়।তারুন্য আর অন্যদের সাথে তার কাজের ভিন্নতা তাকে সবার কাছে আলাদাভাবে গ্রহনযোগ্য করে তোলে। কর্ম দক্ষতায় অল্প সময়ের মধ্যেই সকলের কাছে প্রিয় একজন মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলে।সরকারি হরগঙ্গা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছিলেন ১৯৯৯সালে কিন্তু দলীয় বিবেচনায় যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।এরপর শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব, সিনিয়র সহ সভাপতি এবং পরবর্তীতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৭সালে ১/১১ এর মইনুদ্দিন ফখরুদ্দিন সেনাসমর্থিত সরকার বিএনপি শীর্ষ থেকে তৃণমূল সবস্তরের নেতৃবৃন্দের উপর চালায় স্ট্রিমরোলার।সেই ১/১১এর ঝড়ে ভেঙে পরেছিল বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থা।সেই কঠিনতম দু:সময়ে মাসুদ রানা শহর ছাত্রদলের দায়িত্বে ছিলেন। মাসুদ রানা সেই সময় থেকেই সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু করেন।
২০১০ সালে যখন আওলাদ হোসেন উজ্জ্বলকে স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব প্রদান করা হয়, তখন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাসুদ রানাকে মনোনীত করা হয় । এটি ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের একটি মাইলফলক।

