▪️সিরাজ পাঠান
সিনিয়র সহ সভাপতি
আমাদের অনুসন্ধান চালানো হয়েছিল ২টি বিষয়ের উপর
▪️ এক. তিনি এই পদের জন্য কতটা যোগ্য বা কেন যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন?
▪️দুই. আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদীদের সাথে তার যোগসূত্র বা তাদের কার্যক্রমে তার অংশগ্রহন ছিলো কিনা?
এক.
অনুসন্ধান করতে চেয়ে আমরা যোগ্যতার বিবেচনায় একটি বিষয়ই খুজে পাই তাহলো মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন এমপি এর সুপারিশে এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক (বিতর্কিত নেতা) মোজাম্মেল হক মুন্নার নিজস্ব কোটায় সিনিয়র সহ সভাপতি পদটি তিনি পেয়েছেন।
এখানে ব্যক্তিগত লোক প্রতিষ্ঠায় ভাগাভাগি হয়েছে। সংগঠনের বা দলের স্বার্থ বিবেচিত হয়নি।বিগত সময়ের আন্দোলন সংগ্রামে শুধুমাত্র ছবি তোলা কেন্দ্রিক ছিলো তার রাজনীতি, তার বিরুদ্ধে একটাও রাজনৈতিক মামলাও নেই।
দুই.
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার বা তৎকালীন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে প্রকাশ্যে উপস্থিতির কিছু তথ্য ও রাজনৈতিক প্রমাণ পাওয়া যায়:
▪️আওয়ামী লীগ নেতার সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিতি
তৎকালীন মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের সাথে সিরাজ পাঠানকে একাধিকবার বিভিন্ন সামাজিক ও উদ্বোধনী কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।
- সুনির্দিষ্ট তথ্য: ২০২২ সালের ৫ই মার্চে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ইসলামপুরে মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের উপস্থিতিতে নতুন সড়ক উদ্বোধনী কর্মসূচিতে অন্যান্য স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সিরাজ পাঠান প্রকাশ্যে উপস্থিত ছিলেন। সংবাদের লিংক দেয়া হলো-
▪️ক্ষমতাধর আওয়ামী লীগ বলয়ের সাথে ঘনিষ্ঠতা
মুন্সিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং স্থানীয় সচেতন মহলে যে বিষয়গুলো আলোচনা ও সামাজিক মাধ্যমে উঠে এসেছে:
- আওয়ামী লীগ বলয়ের সাথে যোগাযোগ: স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ফয়সাল বিপ্লব ও তাঁর পূর্বে সাবেক সংসদ সদস্য এম ইদ্রীস আলির সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল।এম ইদ্রীস আলিকে অতিথী করে ১৫ আগষ্ট এর খিচুরি বিতরণ করার তথ্য প্রমান পাওয়া যায়।
- ছবি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি: আওয়ামী শাসননামলে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতা ও মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের সংবর্ধনা, সভা এবং দলীয় প্রভাবাধীন কর্মসূচিতে তাঁর একাধিক ছবি ও উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে।
▪️ মামলা ও রাজপথের কর্মসূচিতে অনুপস্থিতির রেকর্ড
দলীয় বা দাপ্তরিক নথিপত্রে সাধারণত কোনো প্রতিপক্ষ দলের “সদস্যপদ”-এর সরাসরি কাগজপত্রের চেয়ে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকাকেই প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়। মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির নথিতে যেখানে অন্য পদপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা, হামলা ও কারাবরণের রেকর্ড রয়েছে, সেখানে সিরাজ পাঠানের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে এ ধরনের রাজপথের লড়াইয়ের দৃশ্যমান প্রমাণ মেলে না।
